অভিনন্দন অপরাজিতা।
অভিনন্দন অভিনন্দন অভিনন্দন।
অনেক অনেক অভিনন্দন মেমসাহেব। মানুষের আবেগ, সম্পর্ক এবং জীবনের গভীরতা যেখানে শব্দের ফ্রেমে বন্দি। আপনার আর আমার ২২তম মাস আজ শেষ হলো।
প্রিয় মেমসাহেব,
এইইইইইইইইইইইইইই মটু, বাড়িতে তোমার সময় কেমন যাচ্ছে শুনি? আজকাল তোমার সময় যাচ্ছে কি যে ব্যস্ততায়। আর আমার সময় যাচ্ছে ঘুমে ঘুমে। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় রাতে আমার সামান্যতমও ঘুম হয় না। কেন হয় না মেমসাহেব? এর সমাধান কী বলো তো। সেদিন তুমি কলে ছিলে আমার মনে হয় আমি দুমিনিটের মধ্যেই ঘুমিয়ে গেলাম। যেখানে আমার সামান্যতমও ঘুম হয় না সেখানে তোমার কলে আমার এত ঘুম কই থেকে আসে? তোমার সাথে কলে কথা বলতে গেলেও আমার ঘুম। প্রচন্ড ঘুম পায়। তুমি ঢাকায় ফিরলে আমি ঘুমাবো। শান্তির ঘুম। মেমসাহেব, ঢাকায় ফিরলে একটু কলে থাকবে? খুব বেশি সময় না। এই ধরো মিনিট দুয়েক বা সর্বোচ্ছ পাঁচ মিনিট। দেখবে এই সময় টুকুতেই আমি বেমালুম ঘুমিয়ে গেলুম। তারপর? তারপর তুমি কল কেটে দিবা। আর আমি ঘুমের ঘরে ভাববো কল তো আছেই। আমি ঘুমাবো আরামচে। থুক্কু ঘুমের ঘরে ভাববো কী করে! (ক্যালানোর ইমোজি)
অ্যাডমিন সাহেবা, আমার না কিছু মন খারাপের গল্প আছে। তোমাকে আমি বলবো। ঢাকায় ফিরো তারপর। তুমি ঢাকায় ফিরলে প্রথমে ঘুমাবো তারপর মন খারাপের গল্প বলবো। আমার কী ধারণা জানো? মন খারাপের গল্প শুনে তুমি আমার উপর রেগে যাবা। প্রচন্ডরকম রেগে যাবা। যদি রাগ না করো তবে বিরক্ত হবা কিংবা তোমার কাছে মনে হবে গল্পগুলো অহেতুক। (ক্যালানোর ইমোজি)। ভাবছো ক্যালানোর ইমোজি না দিয়ে কেন () ব্র্যাকেট দিয়ে বলছি ক্যালানোর ইমোজি? তার কারণ হচ্ছে আমি এখন লিখছি ল্যাপটপে। যদিও ল্যাপটপে ইমোজি দেওয়া এখন শিখেছি কিন্তু এখন যেখানে লিখছি সেখানে ইমোজি দেওয়া যায় বাহিরের বিভিন্ন দেশে রাইটিং অ্যাপগুলোতে।
একটা জিনিস আমি রিসার্চ করে পেয়েছি যে বাহিরের বিভিন্ন দেশে রাইটিং অ্যাপগুলো ফোকাস মোড নামে একটা ফিচার থাকে। তোমাকে ফিচার মোডটা বুঝিয়ে বলি। ফিচার মোড হচ্ছে তুমি যেখানে লিখবা সেখানে লিখার প্রতি ফোকাস ধরে রাখার জন্য ফোন বা ল্যাপটপে সব কিছু হাইড করে দিয়ে ফুলস্ক্রিনে শুধু লেখার ক্যানভাসটা রাখা। যেমন এখন যে লিখছি, এখানে পুরো স্ক্রিন হচ্ছে সাদা, মধ্যে শুধু আমার লেখা। আর নিচে ছোট্ট করে তিনটা অপশন ওয়ার্ড সংখ্যা, ক্যারেক্টার সংখ্যা আর রিডিং টাইম দেখাচ্ছে। তুমি আমাকে শীঘ্রই জানাবা যে আমার TunePad অ্যাপে এই ফোকাস মোডটা রাখবো কিনা। তুমি জানানোর পর আমি ফোকাস মোড নিয়ে কাজ শুরু করবো। ঠিক আছে? মনে করে জানাবা কিন্তু!
আল্লাহ! এটা কী হলো! (রাগের ইমোজি) তোমার উপর রাগ দেখাচ্ছি। হ্যাঁ তোমার উপর। এই বেডিইইইইইইইইই মেঘকে মানুষ করার দায়িত্ব কার হ্যাঁ? কার? (আরো বেশি রাগের ইমোজি) বাহিরে যে আমার কাপড় ভিজে আর বৃষ্টি হয় এইডা মেঘ খেয়াল রাখবো না? (একশ কোটি রাগের ইমোজি) সব কাপড় গেছে ভিইজা। খালি তোমার লাইগা ভিজছে হ্যাঁ খালি তোমার লাইগা। ঢাকায় ফিরে আগে মেঘকে মানুষ করবা। মেঘ পুরোপুরি মানুষ হয় নাই। এহনো বন মানুষ রয়ে গেছে। আস্ত এডা বন মানুষ। আচ্ছা, তোমার মেঘকে যে আমি বন মানুষ বলতেছি এজন্য কি তুমি আমার উপর রাগ করবা? বলো বলো রাগ করবা? রাগ করলে তোমার নাক ফাটায়ে দিমু এডা ঘুসি মেরে হু।
আচ্ছা মেমসাহেব, এই যে এত বকর বকর করতেছি এর কারণ কি বলো তো? আমি বলোবো না (ক্যালানোর ইমোজি)। কেন বলবো হ্যাঁ? কেন বলবো? তোমার মেঘের না লোভ বেশী। কিসের লোভ জানো? এই যেমন চিঠি পাবার লোভ। আগে ভাগে শুভেচ্ছা পাবার লোভ। কিন্তু আমি বুঝতে পারি মটু। আমার মটু মেমসাহেব বুড়ি হচ্ছে। এহন থাইকা আমারই আগে ভাগে শুভেচ্ছা জানাতি হবি। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ওই যে লোভ। এই লোভের কারণেই আজ সারাটাদিন কাটলো মন খারাপে। আমি না মন খারাপ বাদ দিতে পারি না। আচ্ছা এই কয়দিনে তুমি আমার কোনো মন খারাপ দেখেছো? দেখোনি কিন্তু (ক্যালানোর ইমোজি)। আমি এখন মন খারাপ করি না। থুক্কু মন খারাপ হয়না। সব কিছু এখন স্বাভাবিক ভাবে নিতে পারি। মন খারাপ দূর করার সবচে সহজ উপায় হলো সবকিছু স্বাভাবিক ভাবে নেওয়া। যেমন এখন যদি আমার মন খারাপ হয়। আগে বুঝি কেন মন খারাপ হলো তারপর মনকে বলি,"এ্যা বাবা! এত স্বাভাবিক বিষয়টা জন্য মন খারাপ করতে হবে? কেন করতে হবে শুনি?" কিন্তু জানো মাঝে মাঝে মনরে কিছুই বুঝাতে পারি না। তুমি আসলেই মন ভালো হয়ে যায়। তুমি যখনই মেঘ বলে ডাক দাও তখনই আমার মন ভালো হয়ে যায়। বিশ্বাস করো আমার খুশিতে নাচতে ইচ্ছে করে। আমার মেমসাহেব আইছে, আমার মেমসাহেব আইছে!
আজ সারাদিন রাত অপেক্ষায় ছিলাম। কিন্তু যে জন্য অপেক্ষায় ছিলাম তা আর হলো না। তোমাকে বললাম ঘুমানোর আগে একটু এসো। বিছানায় শুয়ে দু মিনিটের জন্য এসো। আর তুমি কি বললে? আচ্ছা মেমসাহেব, শরীর ক্লান্ত থাকলেও কি বিছানায় শুয়ে দু মিনিটের জন্য একটু আসা যায় না? দুটো বা তিনটে মেসেজে কতটুকুই বা সময় লাগে? আচ্ছা যাকগে সেসব। তোমার প্রতি আমার কেনো অভিযোগ নেই মেমসাহেব। বিশ্বাস করো সামান্য তমও অভিযোগ নেই। দিন শেষে তুমি আমার খোজ নাও এতেই আমি অনেক খুুশি মেমসাহেব। অনেক অনেক খুশি। এই যে যখনই সুযোগ পাও এসে জিজ্ঞেস করো মেঘ কেমন আছেন এটাই অনেক অনেক পাওয়া আমার। তুমি ছাড়া কেউ তো এভাবে জিজ্ঞেস করে না মেমসাহেব। এই যে আমার কিছু হলেই তোমার কাছে গিয়ে বলতে পারি মেমসাহেব আমার এটা হয়েছে, ওটা হয়েছে, আমার মন খারাপ, এখানে একটু কেটে গেছে, আমার পেট ব্যাথা করছে এতসব তো তোমাকে ছাড়া কাউকে বলতে পারি না মেমসাহেব। এটা কি আমার জন্য অনেক বড় পাওয়া না? এত সবের জন্য তোমার কাছে আমার অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা মেমসাহেব।
মাঝে মাঝে তোমার প্রতি খুব অভিমান জমে আমার। খুব খুব অভিমান জমে। তোমার কাছে আমার মেমসাহেবকে নিয়ে অভিযোগ করতে ইচ্ছে করে কিন্তু অভিযোগ করি না। কেন করি না তুমি জানো? কারণটা আমিও জানি না। (ক্যালানোর ইমোজি) আজকের একটা জিনিম বলি শোনো। বিকেলে যখন বিল আনতে গেলাম তখন ৫০০ টাকার নোট ভেঙে মোবাইল রিসার্চ করলাম। তখন একটা নতুন ২০০ টাকার নোট পেলাম। ২০২৩ সালে ২০০ টাকার নোট। তখন ইচ্ছে হলো এটা আমি আমার রুহিরানীকে দেবো। তখন মাথায় আসলো হ্যাঁ শুধু রুহি রানীকে দিলে তো হবে না সোহানাকেও দিতে হবে। তারপর থেকে আরেকটা ২০০ টাকার নোট পাওয়ার চেষ্টায় আছি। নতুন একটা নোট পেলেই দুইটা নোট রেখে দেবো। তখন মনে হচ্ছিল আপনি ঢাকায় এসেই পরেরদিন বলবেন,"মেঘ রূপনগর আসুন।" তখন আমার অনুভুতিটা কেমন হবে বুঝতে পারো? ভাবছি আমি আমার অনুভুতি কাউকে বুঝতে দেবো না (ক্যালানোর ইমোজি) । মূল যেই কথাটা বলতে চাচ্ছিলাম। মন ভাবতেছে ঈদের পর যখন আপনি আমাকে ডাকবেন। দেখা করতে বলবেন তখন আপনার কাছ থেকে একটা অনুমতি নেবো, "আমি আপনার হাতটা কিছুক্ষণ ধরে রাখতে পারি মেমসাহেব?" আচ্ছা আপনি তখন কি উত্তর দিবেন? আমি জানি। তোমার উত্তর হবে ,"না।" বিশ্বাস করো তাতে আমার সামান্যতমও মন খারাপ হবে না। কেন হবে না জানো? কারণ আমি সব মেনে নিতে শিখেছি। তখন মনকে বললাম, এমন ইচ্ছে করা ঠিক না। কেন এমন ইচ্ছে করা ঠিক না সেটাও মনকে বুঝালাম। কিন্তু আপনাকে বলবো না। একটা বিষয় কি জানেন জগতের অনেক অনেক ইচ্ছে পূরণের জন্য রক্তের সম্পর্কের মানুষ হতে হয়, আপন মানুষ হতে হয়, কাছের মানুষ হতে হয়। সবশেষে কথা একটাই সব ইচ্ছে সবার জন্য নয়। কোনো ভাবেই অতিরিক্ত অধিকার গ্রহনের চেষ্টা করা যাবে না এবং অধিকারের সীমা লঙ্গন করা যাবে না। লঙ্গন বানান ভুল। ঠিক করে নিবেন।
মেমসাহেব?
......................................................
আজ আমাদের পরিচয়ের ২২তম মাস পূরন হলো। থুক্কু আজ না। গতকাল। গতকাল আমাদের পরিচয়ের ২২তম মাস পূরণ হলো। আচ্ছা বলো তো যখন তোমার মেসেজের প্রথম রিপ্লাই দিলাম তখন কি ঘুনাক্ষরেও ভেবেছি যে ফোনের অপরপ্রান্তে থাকা মানুষটার প্রতি একদিন এত এত মায়া জমবে আমার? যদি জানতুম তবে কেমন হতো? জানতে পারলেও কি আমি থেকে যেতাম?
আমি আপনার সাথে কেন থেকে গেলাম? আমার তো কাজ ছিলো আমার প্রতি মায়া বাড়িয়ে হারিয়ে যাওয়া। আপনার কাছ থেকে যদি হারিয়ে যেতে পারতাম তবে আরো কত জনকে না জানি মায়া বাড়িয়ে হারানোর বেদনায় কাদাতাম। আচ্ছা আপনার কাছ থেকে যদি হারিয়ে যেতাম তবে প্রথমে কেমন মেয়েকে টার্গেট করতাম? অবশ্য টার্গেটের বিষয় টা আগে থেকে বলা যায় না। চলতে চলতে ঘুড়তে ফিরতে যদি মনে হয় কাউকে সহজে টার্গেটে ফেলা যাবে তবে তাকেই টার্গেট করা হয় । আমার এই মূহুর্তে ইচ্ছে করছে আমি অনেক মেয়েকে কাদাবো। প্রচন্ডরকম কাদাবো। যারা কখনো কারো মায়ায় পড়েনি তাদের মায়ায় ফেলে তারপর হারিয়ে যাবো। আমার হারিয়ে যাওয়াটা হবে চুপচাপ। দেখা গেলো সে ঘুমাচ্ছে। ঘুম থেকে উঠে দেখলো আমি নাই। অবশ্য সেটা এটা তাৎক্ষনিক বুঝতে পারবে না। কেন জানেন? কারণ আমি তো তাকে ব্লক করবো না। ব্লক করলে সে সহজেই বুঝে নিবে কিছু একটা ঘটছে। কিন্তু যদি ব্লক না করে, না বলে হারিয়ে যায় তবে? তবে সে প্রথমে অপেক্ষার কষ্ট পাবে। কারণ সে তো জানে আমি ফিরবো। কিছু একটা ঘটেছে কিন্তু দিন শেষে আমি ফিরবো। সে এজন্য অপেক্ষায় থাকবে কারণ আমি হারিয়ে যাবো এটা থাকবে তার ধারনার বাইরে। কিন্তু সত্য হলো আমি হারিয়ে গেছি। সে অপেক্ষা করতে করতে যখন বুঝবে আমি হয়তো আর ফিরবো না। তখন তার মনে দুটো কষ্ট থাকবে এক আমাকে হারিয়ে ফেলার। দুই অপেক্ষার। আচ্ছা মেমসাহেব, আমি যদি হারিয়ে যাই তুমি কি খুব বেশী কষ্ট পাবে?
সাধারণত আমি যখন চিঠি লিখি সেখানে পরী থাকে। কিন্তু এই চিঠিতে পরী নেই। আসলে পরী আর কোনো চিঠিতে থাকবে না। পরী বলতে কেউ নেই আমার কল্পনায়। কোনো একটা চিঠিতে পরীকে নিয়ে একটা কল্পনার কথা বলেছিলাম। সেটাই হচ্ছে পরীকে নিয়ে আপনার কোনো চিঠিতে লেখা শেষ কল্পনা। পরী বলতে কেউ নেই। ফেসবুকে করা পরীকে নিয়ে শেষ পোষ্ট,"আমাকে ভালোবাসার মতো শুধু পরীই আছে, আর কেউ নেই।" এটাই হচ্ছে পরীকে নিয়ে আমার শেষ অনুভুতি। পরীকে নিয়ে লেখা আমার ডায়রির ইতিমধ্যেই নাই হয়ে গেছে। গেছে বলতে আমি করে ফেলেছি। অনেক অনেক অনুভুতি লিখে রেখেছিলাম। তারপর মনে হলো আমার এখন আবেগের বয়স। আবেগ ভালো না। আমার আবেগ থাকা উচিত নয়। আমি আবেগের অপব্যবহার করি। তাই আবেগ বাদ দেওয়ার সাধনায় আছি। আমি প্রায় সফলতার কাছাকাছি। দোয়া করবেন যেন খুব শিগ্রই সফলতা পাই। আবেগহীন আবেগবাদ দেওয়ার এক সফলতা উদযাপন করবো আমি। আমি বুঝতে শিখেছি যে আবেগ দিয়ে দুনিয়া চলে না। বাস্তবতা লাগে। আর এই শিক্ষা আমি পেয়েছি আমার খুব কাছের একজন মানুষের কাছ থেকে। যেই মানুষটা পৃথিবীতে নাই, যে মানুষটার কোনো অস্তিত্ব নেই সেই মানুষটাকে নিয়ে এত কল্পনা জল্পনা আশা এগুলো শুধুই আবেগ। যার কোনো অস্তিত্ব নেই মানুষটা কিভাবে কাউকে ভালোবাসতে পারে যেখানে অস্তিত্ব আছে এমন মানুষই ভালোবাসে না? অবশেষে আমি বুঝতে পারলাম আমার আবেগ বাদ দেওয়া উচিত। আমি আবেগ বাদ দেওয়ার পথে আছি। খুব শিগ্রিই সফলতা আশা করছি।
মেমসাহেব, আমার আরো কিছু মিশন আছে। আমার আরো অনেক জিনিস বাদ দিতে হবে। এবং সেগুলোর জন্য আমি সহজ পথ খুজতেছি। একটা জিনিস পেয়েওছি। শুধু সময়ের অপেক্ষা। আমার একটা একটা প্রজেক্ট শেষ করবো। তুমি আমার সফলতার জন্য দোয়া করো মেমসাহেব।
অপরাজিতা, এই ২২টা মাস আমার সাথে থাকার জন্য তোমার কাছে অনেক অনেক শুকরিয়া। আল্লাহর কাছে হাজারো শুকরিয়া তোমার মতো একজন মানুষের সাথে আমার পরিচয় এবং এই সুন্দর পথচলার জন্য। আল্লাহর কাছে অনেক অনেক দোয়া করি যেন আমাদের এই সম্পর্ক কলঙ্কমুক্ত থাকে। এবং সম্পর্কটাকে কলঙ্কমুক্ত রাখতে আমার যা যা করা উচিত আমি তাই তাই করবো। এটাকেই আমি সর্বোচ্ছ প্রাধান্য দেবো। সবশেষে তোমাকে অনেক অনেক অভিনন্দন মেমসাহেব। Happy 22nd month anniversary oporajita. আমাদের আগামির পথচলা সুন্দর এবং সুস্থ হোক। আমিন।
সবশেষেও একটা কথা বলার ছিলো কিন্তু বলবো না।
ইতি,
মেঘ
আমাদের গল্পের আরও কিছু পাতা
(নিচের বাটনগুলোতে ক্লিক করে দেখো)